Ultimate magazine theme for WordPress.

নকল বিড়ি বিক্রির দায়ে পাঁচ ব্যবসায়ীকে ৬২ হাজার টাকা অর্থদন্ড

ময়মনসিংহ ব্যুরো


ময়মনসিংহের গৌরিপুর উপজেলার বিভিন্ন বাজার থেকে নকল ব্যান্ডরোলযুক্ত বিড়ি জব্দ করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। এসময় নকল ব্যান্ডরোলযুক্ত বিড়ি বাজারজাত করার দায়ে ব্যবসায়ীদের জরিমানা করা হয়েছে। কর ফাঁকি নকল ব্যান্ডরোল যুক্ত হাসান বিড়ি, কাজল বিড়ি, তারা বিড়ি ও হান্নান বিড়ি বিক্রির দায়ে হান্নান বিড়ির ভারপ্রাপ্ত মালিক হারুন অর রশিদসহ ৫ জন পাইকারি ও খুচরা বিড়ি বিক্রেতাকে ৬টি মামলায় ৬২ হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয়। এরমধ্যে হান্নান বিড়ির ভারপ্রাপ্ত মালিক হারুন অর রশিদকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। মঙ্গলবার বিকেলে অভিযানে অর্থদন্ডের সকল অর্থ নগদে আদায় করা হয়।

সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবিদুর রহমান এ ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন।

জানাযায়, একটি চক্র সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে নকল ব্যান্ডরোল লাগিয়ে বিড়ি বাজারজাত করছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমান আদালত বিশেষ অভিযান চালিয়ে উপজেলার লংকাখোলা ব্রিজ, কাওরাইট, শ্যামগঞ্জ বাজার থেকে ৯৫ হাজার শলাকা জাল ব্যান্ডরোল সম্বলিত বড়ি জব্দ করা হয়। সেখানে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দেয়ার উদ্দেশ্যে বিড়িতে নিজেদের মতো করে নকল ব্যান্ডরোল ছাপিয়ে তা যুক্ত করে সেই বিড়ি বাজারজাত করা হত।

এ সময় সহকারী কমিশনার দন্ডনীয় কর্মকান্ড হতে সকলকে বিরত থাকতে আহব্বান জানান, উপজেলার সকল বাজার ও দোকান হতে নকল ব্যান্ডরোল যুক্ত বিড়ি তুলে ফেলতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বাজার কমিটিকে দায়িত্ব দেয়া হয়।

সরকারী বিধিমতে সরকার নির্ধারিত ১৮ টাকা মূল্যের কমের যেকোনও বিড়ি উৎপাদন, পরিবহন ও বিক্রয় সম্পূর্ণ দন্ডনিয় অপরাধ। কর্মকর্তারা সকল কমদামী নকল ব্যান্ডরোলযুক্ত বিড়ি উৎপাদন ও বিক্রয় বন্ধে ব্যবসায়ীসহ সকলের সহযোগীতা কামনা করেন। নকল ব্যান্ডরোলযুক্ত কমদামী বিড়ির বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

Leave A Reply

Your email address will not be published.