Ultimate magazine theme for WordPress.

দিনাজপুর সদরের দ্বিতীয় দিনের মত লকডাউন বাস্তাবায়ন করার জন্য জেলা প্রশাসন মাঠে

দিনাজপুর প্রতিনিধি


করোনা সনাক্তের হার ও মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় দিনাজপুর সদর দ্বিতীয় দিনের মত লকডাউন বাস্তাবায়ন করার জন্য জেলা প্রশাসন মাঠে নেমেছে ।

আজ বুধবার সকাল ১১ টার দিকে জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শরীফুল ইসলামের নেতৃত্বে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে থেকে পায়ে হেটে শহরে চলাচলকারী অটো রিকশা , মোটর সাইকেল , আটক করে জরিমানা করা হয় । এছাড়াও বেশ কিছু খোলা দোকানকে বন্ধ রাখার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন ।

জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মাসুদ রানা বলেন , জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় জেলা সদরের লকডাউন বাস্তবায়ন করার জন্য কয়েকটি নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের নেতৃত্বে ৭টি টিম গঠন করা হয়েছে । প্রতিটি টিম দিনাজপুর সদর উপজেলায় বিভিন্ন হাট বাজারে অভিযান পরিচালনা করছে । গত দই দিনে লকডাউন বাস্তায়নের ক্ষেত্রে বাধা প্রদান করায় ৫৪ টি মামলায় ১৯হাজার ৫০০ টাকা অর্থ জরিমানা আদায় করা হয়েছে ।

জেলা প্রশাসকের ডাকা ৭ দিনের লকডাউন উপেক্ষা করে শহরের প্রবেশদ্বর দিয়ে শত শত অটো রিকশা , মোটর সাইকেল ম,বাই সাইকেল ভ্যান , ট্রাক , পিক আপ ভ্যানে করে মানুষ জেলা সদরে প্রবেশ করছে আর মানুষ প্রয়োজনে শহরের বাহিরে প্রবেশ করছে । তবে শহরের বেশির ভাগ দোকানপাট , মপিংমল , রেন্টুরেন্ড মার্কেট বন্ধ ছিল ।

আগামী ২১ জুন রাত ১২ টা পর্যন্ত লকডাউন চলবে । লকডাউন আরোপ করে গনবিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন দিনাজপুর জেলা প্রশাসক ।

জেলা প্রশাসক ও জেলা করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি খালেদ মোহাম্মদ জাকী স্বাক্ষরিত ১৩ টি শর্ত জারি করে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেন ।

বিধি-নিষেধ চলাকালীন কোন প্রকার যানবাহন দিনাজপুর সদর উপজেলায় প্রবেশ করতে পারবে না এবং দিনাজপুর সদর থেকেও কোনো যানবাহন অন্য উপজেলায় যেতে পারবেনা । উপজেলার ভিতর সকল প্রকার পরিবহন / গণপরিবহন বন্ধ থাকবে । তবে রোগী পরিবহন গাড়ী/অ্যাম্বুলেন্স , কৃষিপণ্য, খাদ্য সামগ্রী, জরুরী পণ্য বহনকারী ট্রাক এবং জরুরী সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না ।

শপিংমল মার্কেট, রেষ্টুরেন্ট ও সকল প্রকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দোকানপাট বন্ধ থাকবে, সাপ্তাহিক হাট বাজার বন্ধ থাকবে । পর্যটন কেন্দ্র কমিউনিটি সেন্টার সিনেমাহল ও বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ থাকবে । গণজমায়েত হয় এই রূপ সামাজিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা যাবে না । জরুরী প্রয়োজনে মোটরসাইকেলের বের হলে চালকের পিছনে কাউকে বহন করা যাবে না ।

স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে জুম্মার নামাজ সহ প্রতি ওয়াক্ত নামাজে সর্বোচ্চ ২০ জন অংশগ্রহণ করতে পারবেন অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালায় একই ভাবে করতে পারবেন । জরুরী প্রয়োজনে চলাচলের ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক ভাবে মাক্স পরিধান করতে হবে । মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সমূহ সরকার কর্তৃক জারীকৃত অন্যান্য নির্দেশনার বিধিনিষেধের আওতাভুক্ত থাকবে ।

Leave A Reply

Your email address will not be published.